সংবাদ শিরোনাম:
যৌতুকের মামলায় দুই বছরেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন সাংবাদিক মিজানুর রহমান নারীর চিৎকার শুনে ছুটলেন সার্জেন্ট, ছিনতাইকারী আটক করে উদ্ধার করলেন মোবাইল পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মৌলভীবাজার পৌর কমিটি গঠন,চন্দন রায় সভাপতি, পাপন সম্পাদক বিজাতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও দেশীয় সংস্কৃতির দুর্দিন রাজৈরে সেকান্দার আলির হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন, ১৪ আসামি খালাস কমলগঞ্জে সীরাত সেমিনার ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে KSRM রডের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজনগর চা বাগানে ৫০০ টাকা দৈনিক মজুরি, ভূমির অধিকার ও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ লতিফিয়া ইসলামী যুব সংঘের উদ্যোগে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা:)মাহফিল সম্পন্ন
যৌতুকের মামলায় দুই বছরেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি

যৌতুকের মামলায় দুই বছরেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও সন্তানসহ গৃহবধূকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় দুই বছরেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি। মামলা হওয়ার পরও আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী সুমি ও তাঁর পরিবার।মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৩ আগস্ট শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার বাঘহাতা গ্রামের মোছা. সুমির (২০) সঙ্গে ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে আশিকুর রহমান আরিফের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়ের সুখ-শান্তির কথা চিন্তা করে জামাতাকে ব্যবসা করার জন্য নগদ ৩ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র দেন সুমির বাবা। তাঁদের সংসারে আবরার আহাম্মেদ আলোক নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।অভিযোগে বলা হয়, কিছুদিন পর স্বামী আরিফ আবারও ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। এই অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ২০২৩ সালের ৩ নভেম্বর সকালে ঝিনাইগাতীর ধানশাইলের বাড়িতে সুমিকে তালাকের হুমকি দিয়ে শিশু সন্তানসহ বের করে দেওয়া হয়। পরদিন স্বজনদের নিয়ে সুমি স্বামীর বাড়িতে গিয়ে সংসার করার অনুরোধ জানালেও আরিফ পুনরায় ২ লাখ টাকা যৌতুক না দিলে ঘরে তুলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।উপায়ান্তর না পেয়ে সুমি ‘যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮’-এর ৩ ধারায় শেরপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য, এই ধারায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যৌতুক দাবি করার অপরাধে সর্বোচ্চ ৫ বছর ও সর্বনিম্ন ১ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।ভুক্তভোগী সুমি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি শুধু আমার সংসারটা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় আমাকে সন্তানসহ তাড়িয়ে দেওয়া হলো। মামলা করার পরও পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার না করায় আমি চরম অসহায় বোধ করছি। আমি দ্রুত ন্যায়বিচার চাই।”সুমির বাবা মো. সিরাজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মেয়ের সুখের জন্য সাধ্যমতো ৩ লাখ টাকা ও জিনিসপত্র দিয়েছিলাম। এরপরও ওদের লোভ কমেনি। আরও ২ লাখ টাকার জন্য মেয়েটাকে রাস্তায় নামিয়ে দিল। মামলা করার পরও আসামি বুক ফুলিয়ে ঘুরছে, অথচ পুলিশ তাকে ধরছে না। আমরা আইনের সুশাসন ও ন্যায়বিচার চাই।”এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নূর মোহাম্মদ বলেন, “আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। আইন অনুযায়ী খুব দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com
error: Content is protected !!